ইরেশ বড়াল পরিচালিত ছবি আগমনী মুক্তির প্রতীক্ষায়
সাংবাদিক ইন্দ্রজিৎ আইচ (কোলকাতা) :এইএই জুলাই মাসে মুক্তি পেতে চলেছে ইরেশ বড়াল পরিচালিত নতুন সিনেমা " আগমনী "।গল্প, স্ক্রীনপ্লে, ডায়ালগ, প্রযোজক, পরিচালনা সব ইরেশ বড়ালের। আগমনী শব্দের অর্থ স্বাগতম।
"আগমনী" নামের এই চলচ্চিত্র সহদেব নামের একজন গ্রামীণ শিল্পীর আশা-নিরাশা এবং তাঁর চারপাশের গভীরভাবে প্রোথিত গ্রাম্য কুসংস্কার, জাতপাতের সংঘাতের বিরুদ্ধে নিরলস সংগ্রামের চিত্রায়িত দলিল।
অজয় দাস এর সুরে এই জুলাই মাসে মুক্তি পেতে চলেছে আগমনী ছবিটা। সম্প্রতি নিউ মার্কেটের পাশে ওয়াই এম সি এ হলে এই ছবির পোস্টার ও মিউজিক লঞ্চ হয়ে গেলো।উপস্থিত ছিলেন ছবির কলা কুশলীরা।
এই চলচ্চিত্র সহদেব নামের এক প্রতিমা শিল্পীর দীর্ঘদিনের হৃদয়ের লালিত-বাসনার মোহভঙ্গের উত্থান পতনের কাহিনী। সে চাইল, জনারণ্যের কোলাহল থেকে দূরে গিয়ে আত্মসাধনার নিমগ্ন থেকে শৈল্পিক দেবীমূর্তি তৈরী করবে। সঙ্গে থাকবে শুধু তার বাবা-মা। কিন্তু বিধি বাম। তাঁর এই প্রয়াস সফল হ'ল না। সহদেব হামিদ নামের একটি মুসলমান ছেলেকে তার মূর্তিনির্মাণে সাহায্যকারী হিসেবে নিযুক্ত করেছিল। ফলতঃ সংকীর্ণমনা রক্ষণশীল হিন্দু ব্রাহ্মণরা এবং গ্রামপ্রধান মিলে তার বিরুদ্ধে ঈশ্বর অবমাননার অভিযোগ তুলল। তারা ঘোষণা করল, এই মূর্তি পুজা করা যাবে না। এই সংঘাত এমনরূপ নিল যে নগেন কাকার মত শ্রদ্ধেয় গ্রাম্য ব্যক্তিত্ব ও অকৃতকার্য্য হলেন। তাঁর দার্শনিক বক্তব্য, ঈশ্বর সর্বভূতে বিরাজিত তাঁর কোন জাত নেই এই সংকীর্ণ মনোভাবের কাছে পরাজিত হ'ল। ঘটনাটা এত খারাপের দিকে গেল যে, গ্রাম্যদুর্বৃত্তরা এই সুযোগে জমিদখল করে কারখানা বানাবার চেষ্টা করল। ঘটনাটা সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার রূপ নিল। বিপন্ন হ'ল কিশোর হামিদের জীবন। নগেনকাকা মুসলিম সম্প্রদায়ের আশঙ্কা দূর করার জন্য, তাদের গুজবে কান দিতে নিষেধ করলেন এবং হিন্দু-মুসলিম ঐক্য যাতে অটুট থাকে সেই ব্যাপারে সচেষ্ট হন।


Comments
Post a Comment