ICCR হলে " বঙ্গরত্ন সন্মান " পেলেন বিশিষ্ঠ সেতার শিল্পী বাণী মুখোপাধ্যায়



সাংবাদিক ইন্দ্রজিৎ আইচ 

মাত্র ৭ বছর বয়স থেকে তাঁর সেতার বাদনে হাতেখড়ি।বাবা সুধীর কুমার চক্রবর্তীর অনুপ্রেরণায় তিনি তিলে তিলে সেতারের মতন বাদ্য যন্ত্র কে পাথেও করে দীর্ঘ ৫০ বছর ধরে পথ হেঁটে চলেছেন। তিনি এই বাংলার কৃতি বঙ্গ নারী হলেন বাণী মুখোপাধ্যায়। আজ ৪ আগস্ট২০২৬ মঙ্গলবার কলকাতার ICCR হলে ড্রিমস এন্টারটেনমেন্ট এর আয়োজনে " বঙ্গরত্ন সন্মান"পেলেন সেতার শিল্পী বানী মুখোপাধ্যায়। শিল্পীর হাতেএই সন্মান , উত্তরীয়, স্বারকতুলে দেন অভিনেতা শুভজ্যোতি হালদার। আজ এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ঠ তবলা বাদক মল্লার ঘোষ,

অভিনেতা ভাস্কর বন্দোপাধ্যায়, ঋষি মুখার্জী,অভিনেত্রী স্বাগতা মুখার্জী, সঙ্গীত শিল্পী সৈকত মিত্র, স্বপন বসু, উৎপল ফকির, সহজ মা, স্বাগতালক্ষ্মী দাশগুপ্ত, অশোক ভদ্র সহ আরো অনেক বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। এই প্রথমবার কলকাতায় এই সন্মান পেয়ে আপ্লুত বানী মুখোপাধ্যায়।তিনি এক সাক্ষাৎকারে এই প্রতিবেদককে জানালেন ছোটবেলা থেকেই তাঁর স্বপ্ন ছিলো বড় হয়ে সেতার শিল্পী হবার।

মাত্র ৭ বছর বয়সে দুর্গাপুরে শশধর দত্তর কাছেতাঁর সেতারে হাতে খড়ি। তারপর এক এক করে পণ্ডিত নিখিল বন্দোপাধ্যায়, পণ্ডিত গোকুল চন্দ্র নাগের কাছে বিভিন্ন সময়ে তালিম নিয়েছেন সেতারে। সারা ভারতবর্ষে এমনকি বিদেশেও তিনি এই বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে সকল শ্রোতা দর্শকদের মুগ্ধ করেছেন। বিশেষ করে সুইজারল্যান্ডে সেতার বাজিয়ে ওখানে অনেক মানুষের ভালোবাসা এবং সন্মান পেয়েছেন । এত বছরের সঙ্গীত জীবনে তাঁর এটা একটা বিরাট স্মরণীয় মুহূর্ত বলা যেতেই পারে।

সেতার শিল্পী বানী মুখোপাধ্যায় আরও জানালেন ৫০ বছর উদযাপন উপলক্ষে তাঁর আজ এই সন্মান বা পুরস্কার " বঙ্গ রত্ন সন্মান " জীবনের এত বড় সাফল্য বা পুরস্কার পেয়ে সঙ্গীতের প্রতি আগামীদিনে আমার দায়িত্ব - কর্তব্য বোধ আরো বাড়িয়ে দিলো বলে আমি মনে করি।

Comments

Popular posts from this blog

তপন থিয়েটারে মঞ্চস্থ হলো দিল্লি রুম থিয়েটারের নাটক " সূর্য নেই স্বপ্ন আছে " এই নাটক এক কথায় সময় উপযোগী প্রযোজনা

মুক্তির প্রতীক্ষায় সোমনাথ সেন পরিচালিত ছবি পাখির বাসা