মনিপাল হসপিটাল ইএম বাইপাসে বোন ম্যারো ট্রান্সপ্ল্যান্ট যোদ্ধাদের মিলনমেলা
সাংবাদিক ইন্দ্রজিৎ আইচ(কলকাতা): বোন ম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট (BMT) যোদ্ধার সুস্থ হয়ে ওঠার গল্প সাহস, লড়াই এবং আশার এক অনন্য উদাহরণ। এই অনুপ্রেরণাদায়ক গল্পগুলিকে সম্মান জানাতে আজ মণিপাল হসপিটাল ইএম বাইপাসে আয়োজিত হলো ‘BMT Warriors Meet 2026’। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বোন ম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট থেকে সুস্থ হয়ে ওঠা রোগী, তাঁদের পরিবারের সদস্য এবং চিকিৎসকরা। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মণিপাল হসপিটালস গ্রুপের রিজিওনাল ডিরেক্টর (ইস্ট) ডাঃ অয়নাভ দেবগুপ্ত, মুকুন্দপুর ক্লাস্টারের ক্লাস্টার ডিরেক্টর মিঃ কোমল দাশোরা, মণিপাল হসপিটাল ইএম বাইপাসের ইউনিট মেডিক্যাল সার্ভিসেস প্রধান ডাঃ সুদেষ্ণা লাহিড়ী, অনকোলজি সার্ভিসেসের ডিরেক্টর ও প্রধান ডাঃ সৌরভ দত্ত, মেডিক্যাল কলেজ কলকাতার ইনস্টিটিউট অফ হেমাটোলজি অ্যান্ড ট্রান্সফিউশন মেডিসিন (IHTM)-এর প্রাক্তন ডিরেক্টর এবং মণিপাল হসপিটাল মুকুন্দপুরের কনসালট্যান্ট হেমাটোলজিস্ট অধ্যাপক (ডাঃ) উৎপল চৌধুরী, মণিপাল হসপিটালস মুকুন্দপুর ক্লাস্টারের ক্লিনিক্যাল হেমাটোলজি, হেমাটো-অনকোলজি ও বোন ম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট বিভাগের প্রধান অধ্যাপক (ডাঃ) রাজীব দে এবং মণিপাল হসপিটাল ইএম বাইপাসের অ্যাসোসিয়েট কনসালট্যান্ট ডাঃ দেবযানী ঘোষ। অনুষ্ঠানে ১৫ জনেরও বেশি BMT যোদ্ধার সুস্থ হয়ে ওঠার গল্প তুলে ধরা হয়। একই সঙ্গে বোন ম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানো এবং সময়মতো চিকিৎসা ও আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থার গুরুত্বও তুলে ধরা হয়।
ভারতে, বিশেষ করে পূর্ব ভারতে, রক্তের বিভিন্ন জটিল রোগ এবং ব্লাড ক্যানসারের সংখ্যা বাড়ছে। প্রতিবছর দেশে এক লক্ষেরও বেশি মানুষ নতুন করে ব্লাড ক্যানসারে আক্রান্ত হন। লিউকেমিয়া, লিম্ফোমা, অ্যাপ্লাস্টিক অ্যানিমিয়া, মাল্টিপল মায়েলোমা এবং থ্যালাসেমিয়ার মতো রোগের ক্ষেত্রে বোন ম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট এখন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসা পদ্ধতি। আধুনিক প্রযুক্তি, উন্নত ডোনার ম্যাচিং এবং উন্নত চিকিৎসা ব্যবস্থার ফলে এখন এই চিকিৎসার সাফল্যের হারও অনেক বেড়েছে। মণিপাল হসপিটাল ইএম বাইপাসও দ্রুত রোগ নির্ণয়, উন্নত চিকিৎসা এবং রোগীদের সম্পূর্ণ সহায়তার মাধ্যমে এই পরিষেবা আরও শক্তিশালী করে চলেছে। অনুষ্ঠানে অ্যাকিউট মাইলয়েড লিউকেমিয়া থেকে সুস্থ হওয়া প্রিয়দর্শিনী সরকার তাঁর জীবনের লড়াইয়ের গল্প একটি প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে তুলে ধরেন। অটোলোগাস ট্রান্সপ্লান্টের পর মাল্টিপল মায়েলোমা থেকে সুস্থ হওয়া জয়ন্তী পাল সাহা নৃত্য পরিবেশন করেন। এছাড়া থ্যালাসেমিয়া থেকে সুস্থ হওয়া ঋতু কুণ্ডু এবং সঞ্চিতা পাল আবৃত্তির মাধ্যমে তাঁদের জীবনের নতুন পথচলার কথা তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মালদার ২২ বছর বয়সি পলিটিক্যাল সায়েন্স (অনার্স)-এর ছাত্র সায়ন ঘোষ। তিনি অ্যাপ্লাস্টিক অ্যানিমিয়া থেকে সুস্থ হয়ে ওঠার নিজের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেন। তিনি বলেন, "দাঁতের চিকিৎসার আগে একটি সাধারণ রক্ত পরীক্ষায় প্রথম জানতে পারি যে আমার রক্তের মাত্রা খুবই কম। এরপর বিভিন্ন পরীক্ষার মাধ্যমে জানা যায় আমার অ্যাপ্লাস্টিক অ্যানিমিয়া হয়েছে। সেই সময়টা আমার এবং আমার পরিবারের জন্য খুব কঠিন ছিল। পরে মণিপাল হসপিটাল ইএম বাইপাসে ডাঃ রাজীব দে-র পরামর্শে বোন ম্যারো ট্রান্সপ্লান্টের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সৌভাগ্যবশত, আমার বড় ভাই ১০০ শতাংশ HLA-ম্যাচড ডোনার হিসেবে নির্বাচিত হন এবং গত ১১ মার্চ আমার সফলভাবে বোন ম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট হয়। পুরো পথটা সহজ ছিল না, কিন্তু পরিবারের সমর্থন এবং চিকিৎসকদের যত্ন আমাকে নতুন করে বাঁচার শক্তি দিয়েছে। এখন আমি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসছি। এই নতুন জীবনের জন্য আমি সকলের কাছে কৃতজ্ঞ।"
পূর্ব ভারতে বোন ম্যারো ট্রান্সপ্লান্টের অন্যতম পথিকৃৎ অধ্যাপক (ডাঃ) উৎপল চৌধুরী বলেন, "এতজন বোন ম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট থেকে সুস্থ হওয়া মানুষকে একসঙ্গে দেখে সত্যিই খুব ভালো লাগছে। ছোট শিশু থেকে বড়—সকলেই আজ নতুন জীবন নিয়ে এগিয়ে চলেছেন। তাঁরা আবার পড়াশোনা, কাজ এবং নিজের স্বপ্ন পূরণের পথে ফিরতে পেরেছেন। একজন চিকিৎসক হিসেবে এর থেকে বড় আনন্দ আর কিছু হতে পারে না। এই ধরনের অনুষ্ঠান রোগী ও তাঁদের পরিবারের মধ্যে একে অপরের প্রতি সাহস এবং আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে তোলে এবং সবাইকে নতুন করে আশা জোগায়।"
অধ্যাপক (ডাঃ) রাজীব দে বলেন, "প্রতিটি BMT যোদ্ধার গল্পই সাহস ও আশার গল্প। বোন ম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট বহু জটিল রক্তের রোগ এবং ক্যানসারে আক্রান্ত রোগীদের নতুন জীবন দিয়েছে। ইন্ডিয়ান সোসাইটি অফ ব্লাড অ্যান্ড ম্যারো ট্রান্সপ্লান্টেশন (ISBMT)-এর তথ্য অনুযায়ী, দেশে এখনও পর্যন্ত ২৫ হাজারেরও বেশি স্টেম সেল ট্রান্সপ্লান্ট হয়েছে। কিন্তু প্রতিবছর তিন হাজারেরও কম ট্রান্সপ্লান্ট করা হয়, যা প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম। তাই সচেতনতা বাড়ানো, সময়মতো রোগ ধরা এবং উন্নত চিকিৎসার সুযোগ আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া খুবই জরুরি। মণিপাল হসপিটাল ইএম বাইপাসে আমরা রোগী এবং তাঁদের পরিবারের পাশে থেকে আধুনিক ও মানবিক চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়ার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।"
অনুষ্ঠানের শেষে সকল BMT যোদ্ধাকে সম্মান জানানো হয়। এই আয়োজনের মাধ্যমে আবারও তুলে ধরা হয় যে, সময়মতো চিকিৎসা, আধুনিক প্রযুক্তি এবং পরিবারের পাশে থাকার শক্তি থাকলে কঠিন রোগকেও জয় করে সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসা সম্ভব।
প্রতিটি বোন ম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট (BMT) যোদ্ধার সুস্থ হয়ে ওঠার গল্প সাহস, লড়াই এবং আশার এক অনন্য উদাহরণ। এই অনুপ্রেরণাদায়ক গল্পগুলিকে সম্মান জানাতে আজ মণিপাল হসপিটাল ইএম বাইপাসে আয়োজিত হলো ‘BMT Warriors Meet 2026’। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বোন ম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট থেকে সুস্থ হয়ে ওঠা রোগী, তাঁদের পরিবারের সদস্য এবং চিকিৎসকরা। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মণিপাল হসপিটালস গ্রুপের রিজিওনাল ডিরেক্টর (ইস্ট) ডাঃ অয়নাভ দেবগুপ্ত, মুকুন্দপুর ক্লাস্টারের ক্লাস্টার ডিরেক্টর মিঃ কোমল দাশোরা, মণিপাল হসপিটাল ইএম বাইপাসের ইউনিট মেডিক্যাল সার্ভিসেস প্রধান ডাঃ সুদেষ্ণা লাহিড়ী, অনকোলজি সার্ভিসেসের ডিরেক্টর ও প্রধান ডাঃ সৌরভ দত্ত, মেডিক্যাল কলেজ কলকাতার ইনস্টিটিউট অফ হেমাটোলজি অ্যান্ড ট্রান্সফিউশন মেডিসিন (IHTM)-এর প্রাক্তন ডিরেক্টর এবং মণিপাল হসপিটাল মুকুন্দপুরের কনসালট্যান্ট হেমাটোলজিস্ট অধ্যাপক (ডাঃ) উৎপল চৌধুরী, মণিপাল হসপিটালস মুকুন্দপুর ক্লাস্টারের ক্লিনিক্যাল হেমাটোলজি, হেমাটো-অনকোলজি ও বোন ম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট বিভাগের প্রধান অধ্যাপক (ডাঃ) রাজীব দে এবং মণিপাল হসপিটাল ইএম বাইপাসের অ্যাসোসিয়েট কনসালট্যান্ট ডাঃ দেবযানী ঘোষ। অনুষ্ঠানে ১৫ জনেরও বেশি BMT যোদ্ধার সুস্থ হয়ে ওঠার গল্প তুলে ধরা হয়। একই সঙ্গে বোন ম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানো এবং সময়মতো চিকিৎসা ও আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থার গুরুত্বও তুলে ধরা হয়।
ভারতে, বিশেষ করে পূর্ব ভারতে, রক্তের বিভিন্ন জটিল রোগ এবং ব্লাড ক্যানসারের সংখ্যা বাড়ছে। প্রতিবছর দেশে এক লক্ষেরও বেশি মানুষ নতুন করে ব্লাড ক্যানসারে আক্রান্ত হন। লিউকেমিয়া, লিম্ফোমা, অ্যাপ্লাস্টিক অ্যানিমিয়া, মাল্টিপল মায়েলোমা এবং থ্যালাসেমিয়ার মতো রোগের ক্ষেত্রে বোন ম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট এখন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসা পদ্ধতি। আধুনিক প্রযুক্তি, উন্নত ডোনার ম্যাচিং এবং উন্নত চিকিৎসা ব্যবস্থার ফলে এখন এই চিকিৎসার সাফল্যের হারও অনেক বেড়েছে। মণিপাল হসপিটাল ইএম বাইপাসও দ্রুত রোগ নির্ণয়, উন্নত চিকিৎসা এবং রোগীদের সম্পূর্ণ সহায়তার মাধ্যমে এই পরিষেবা আরও শক্তিশালী করে চলেছে। অনুষ্ঠানে অ্যাকিউট মাইলয়েড লিউকেমিয়া থেকে সুস্থ হওয়া প্রিয়দর্শিনী সরকার তাঁর জীবনের লড়াইয়ের গল্প একটি প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে তুলে ধরেন। অটোলোগাস ট্রান্সপ্লান্টের পর মাল্টিপল মায়েলোমা থেকে সুস্থ হওয়া জয়ন্তী পাল সাহা নৃত্য পরিবেশন করেন। এছাড়া থ্যালাসেমিয়া থেকে সুস্থ হওয়া ঋতু কুণ্ডু এবং সঞ্চিতা পাল আবৃত্তির মাধ্যমে তাঁদের জীবনের নতুন পথচলার কথা তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মালদার ২২ বছর বয়সি পলিটিক্যাল সায়েন্স (অনার্স)-এর ছাত্র সায়ন ঘোষ। তিনি অ্যাপ্লাস্টিক অ্যানিমিয়া থেকে সুস্থ হয়ে ওঠার নিজের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেন। তিনি বলেন, "দাঁতের চিকিৎসার আগে একটি সাধারণ রক্ত পরীক্ষায় প্রথম জানতে পারি যে আমার রক্তের মাত্রা খুবই কম। এরপর বিভিন্ন পরীক্ষার মাধ্যমে জানা যায় আমার অ্যাপ্লাস্টিক অ্যানিমিয়া হয়েছে। সেই সময়টা আমার এবং আমার পরিবারের জন্য খুব কঠিন ছিল। পরে মণিপাল হসপিটাল ইএম বাইপাসে ডাঃ রাজীব দে-র পরামর্শে বোন ম্যারো ট্রান্সপ্লান্টের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সৌভাগ্যবশত, আমার বড় ভাই ১০০ শতাংশ HLA-ম্যাচড ডোনার হিসেবে নির্বাচিত হন এবং গত ১১ মার্চ আমার সফলভাবে বোন ম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট হয়। পুরো পথটা সহজ ছিল না, কিন্তু পরিবারের সমর্থন এবং চিকিৎসকদের যত্ন আমাকে নতুন করে বাঁচার শক্তি দিয়েছে। এখন আমি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসছি। এই নতুন জীবনের জন্য আমি সকলের কাছে কৃতজ্ঞ।"
পূর্ব ভারতে বোন ম্যারো ট্রান্সপ্লান্টের অন্যতম পথিকৃৎ অধ্যাপক (ডাঃ) উৎপল চৌধুরী বলেন, "এতজন বোন ম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট থেকে সুস্থ হওয়া মানুষকে একসঙ্গে দেখে সত্যিই খুব ভালো লাগছে। ছোট শিশু থেকে বড়—সকলেই আজ নতুন জীবন নিয়ে এগিয়ে চলেছেন। তাঁরা আবার পড়াশোনা, কাজ এবং নিজের স্বপ্ন পূরণের পথে ফিরতে পেরেছেন। একজন চিকিৎসক হিসেবে এর থেকে বড় আনন্দ আর কিছু হতে পারে না। এই ধরনের অনুষ্ঠান রোগী ও তাঁদের পরিবারের মধ্যে একে অপরের প্রতি সাহস এবং আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে তোলে এবং সবাইকে নতুন করে আশা জোগায়।"
অধ্যাপক (ডাঃ) রাজীব দে বলেন, "প্রতিটি BMT যোদ্ধার গল্পই সাহস ও আশার গল্প। বোন ম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট বহু জটিল রক্তের রোগ এবং ক্যানসারে আক্রান্ত রোগীদের নতুন জীবন দিয়েছে। ইন্ডিয়ান সোসাইটি অফ ব্লাড অ্যান্ড ম্যারো ট্রান্সপ্লান্টেশন (ISBMT)-এর তথ্য অনুযায়ী, দেশে এখনও পর্যন্ত ২৫ হাজারেরও বেশি স্টেম সেল ট্রান্সপ্লান্ট হয়েছে। কিন্তু প্রতিবছর তিন হাজারেরও কম ট্রান্সপ্লান্ট করা হয়, যা প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম। তাই সচেতনতা বাড়ানো, সময়মতো রোগ ধরা এবং উন্নত চিকিৎসার সুযোগ আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া খুবই জরুরি। মণিপাল হসপিটাল ইএম বাইপাসে আমরা রোগী এবং তাঁদের পরিবারের পাশে থেকে আধুনিক ও মানবিক চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়ার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।"
অনুষ্ঠানের শেষে সকল BMT যোদ্ধাকে সম্মান জানানো হয়। এই আয়োজনের মাধ্যমে আবারও তুলে ধরা হয় যে, সময়মতো চিকিৎসা, আধুনিক প্রযুক্তি এবং পরিবারের পাশে থাকার শক্তি থাকলে কঠিন রোগকেও জয় করে সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসা সম্ভব।


Comments
Post a Comment